‘বড় ভাইয়ার থেকে বড় হয়ে যেতে ইচ্ছে করে’ — মেহরীন আহমদ

ছবি: আবু সাঈদ

ছোট্ট হৃদিকার প্রতিদিন সকালে ঘুম ভাঙত বড় ভাইয়ের গানের রেওয়াজ শুনে। তখন থেকেই তার সঙ্গী হলো গান। গান নিয়েই তার অনেক স্বপ্ন, অনেক সাধনা।

গান দিয়েই বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান জাতীয় শিশু সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বড় ভাইকে পেছনে ফেলে প্রথম হওয়া। সেই থেকে শুরু একের পর এক অর্জনের। প্রতিবছর বাংলা একাডেমি আয়োজিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় গানের প্রায় সব শাখাতেই পুরস্কার রয়েছে তার। জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতায় একাধিকবার হয়েছে সেরাদের সেরা। এ ছাড়া নিজ স্কুলে আন্তক্যাম্পাস সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় তৃতীয় হওয়ায় স্কুলের বেতনটাও এখন ফ্রি তার জন্য। বাংলাদেশ বেতারে গান গেয়েই মাত করেছে ফুল-পাখিদের আসর।

মণিপুর উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী হৃদিকা। পুরো নাম মেহরীন আহমদ। বর্তমানে নাচের তালিম নিচ্ছে সুকন্যা নৃত্যাঙ্গনে। ‘মার্কস অলরাউন্ডার-২০১৪’-এ মিরপুর জোন থেকে নাচে হয়েছিল প্রথম। বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ দেশের বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে নিয়মিত শিশুদের অনুষ্ঠানে অংশ নেয় সে। নজরুল ইনস্টিটিউটে শিখছে আবৃত্তি। মন চাইলেই রং-তুলি নিয়ে আঁকাআঁকি করতেও ভালোবাসে সে।

গিটার, তবলা আর তানপুরা বাজাতে পছন্দ করা মেয়েটা খেলাধুলাতেও পারদর্শী। ক্রিকেট আর ব্যাডমিন্টন খেলার পাশাপাশি সাইকেল চালাতেও দক্ষ সে। সুযোগ পেলেই ঘুড়ি উড়িয়ে বা লাটিম ঘুরিয়ে হেসেখেলে বেড়ানো মেয়েটার ভীষণ ভয় ভূতের গল্পে।

হৃদিকার সাক্ষাৎকার

প্রশ্ন :

ইচ্ছে করে

বড় ভাইয়ার থেকে বড় হয়ে যেতে

প্রশ্ন :

ঘুরতে ভালো লাগে

বন্ধুদের সঙ্গে যেকোনো জায়গায়

প্রশ্ন :

দিনের যে সময়টা ভালো লাগে

রাতে লোডশেডিং হলে রাতের আকাশ দেখতে ভালো লাগে

প্রশ্ন :

যে কথা বলা হয়নি কাউকে

একবার অঙ্কে ২ পেয়েছিলাম

প্রশ্ন :

যা ছাড়া আমার চলেই না

মাকে ছাড়া

প্রশ্ন :

স্কুলের ভালো লাগা ও খারাপ লাগা

ভালো লাগে যখন গানের জন্য স্কুলের সবাই একনামে চেনে। আর খারাপ লাগে, আমাদের স্কুলের মাঠটা ছোট

(কিশোর আলোর নভেম্বর ২০১৫ সংখ্যায় প্রকাশিত)