নভোচারীরা এ মুহূর্তের জন্য অনেক বছর প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রস্তুত হয়েছেন। মহাকাশে যাওয়ার জন্য করেছেন কঠোর পরিশ্রম।
নভোচারীদের অবশ্যই আবহাওয়াবিদ্যা (আবহাওয়াবিষয়ক বিজ্ঞান) ও প্রকৌশলবিদ্যায় (মেশিন–সম্পর্কিত বিজ্ঞান) পারদর্শী হতে হয়। এসব বিষয়ে শিখতে হয় অনেক কিছু। এমনকি নভোযান চালানোও শেখেন তাঁরা।
যদিও এটা কোনো সহজ কাজ নয়, কিন্তু আমাদের মহাবিশ্ব সম্পর্কে জানা জরুরি।
২ / ৬
আর্টেমিস মিশনে শুধু নভোচারীরা চাঁদে যাবেন না।
তাঁরা সঙ্গে করে নিয়ে যাবেন পৃথিবীর মানুষের আশা ও স্বপ্ন।
আমরা সবাই একসঙ্গে যাব!
আর্টেমিস মিশনে প্রথম কোনো নারী চাঁদে যাবেন। তিনি কৃষ্ণাঙ্গ। ফলে চাঁদে পা রাখা প্রথম নারীই হবেন প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ। পুরো বিশ্ব তাঁর দিকে তাকিয়ে থাকবে এবং পৃথিবীতে বসে উদ্যাপন করবে।
৪ / ৬
এবার চাঁদে গিয়ে নভোচারীরা কলোনি বানানোর চেষ্টা করবেন। ভবিষ্যতে যেন চাঁদে গিয়ে মানুষ অনেক দিন থাকতে পারে, তাই এমন ব্যবস্থা।
কল্পনা করো, চাঁদের বুকে দাঁড়িয়ে তুমি পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে আছ। বিশাল পৃথিবীটা তোমার চোখে দেখাচ্ছে একটা ফুটবলের মতো!
নভোচারীরা চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে নামবেন। সেখানেই তাঁরা কাজ শুরু করবেন।
নাসা ও অন্য সহযোগীরা চাঁদের কক্ষপথে একটা মহাকাশযান তৈরি করবে। এটাকে বলা হবে গেটওয়ে।
৬ / ৬
ভবিষ্যতে চাঁদে তৈরি হবে একটা বেজক্যাম্প। সেখানে থাকবে বাড়ি, রোভার (গাড়ি) ও ল্যাবরেটরি।
চাঁদে বসে নভোচারীরা কী করবেন বলে তোমার মনে হয়?