তুমিও যাবে চাঁদে!

১ / ৬
রাতের আকাশের দিকে তাকালে কী দেখতে পাও? পরিষ্কার রাতের আকাশে হাজার হাজার তারা দেখতে পারো। এমনকি দেখতে পারো দূরের কোনো গ্রহও। তবে যে বস্তুটি দেখার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি, সেটি হলো চাঁদ, আমাদের প্রতিবেশী। এ মুহূর্তে চাঁদকে বেশ ফাঁকা ফাঁকা লাগছে। ওখানে কোনো মানুষ নেই। তবে শিগগিরই আর্টেমিস মিশনে আবার চাঁদে যাবে মানুষ। অ্যাপোলো মিশনের প্রায় ৫০ বছর পর মানুষ আবার চাঁদে নামবে।
আরও পড়ুন
২ / ৬
চাঁদে যেতে হলে একসঙ্গে অনেক মেধাবী মানুষকে কাজ করতে হয়। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার বিজ্ঞানীরা অন্যান্য দেশের বিজ্ঞানীদের নিয়ে একসঙ্গে কাজ করেন। আর্টেমিস মানেই টিমওয়ার্ক!
৩ / ৬
এবার চাঁদে যেতে নভোচারীরা ওরিয়ন নভোযান ব্যবহার করবেন। তুমি হয়তো ভাবতে পারো, ওরিয়ন কীভাবে মহাকাশে যায়…
৪ / ৬
স্পেস লঞ্চ সিস্টেম নামে একটা রকেট আছে। একে সংক্ষেপে বলে এসএলএস (SLS)। এই রকেট ওরিয়ন নভোযানকে মহাকাশে পৌঁছে দেবে। এসএলএস হলো বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট! স্ট্যাচু অব লিবার্টির চেয়েও উঁচু এই রকেট। এর থ্রাস্ট বা শক্তি ১ লাখ ৬০ হাজার রেস কারের ইঞ্জিনের সমান শক্তিশালী!
আরও পড়ুন
৫ / ৬
আর্টেমিস প্রোগ্রামে মোট তিনটি মিশন পরিচালিত হবে। প্রথমটি ইতিমধ্যে সফলভাবে পরিচালিত হয়েছে। এই মিশনে ওরিয়ন নভোযানে কোনো মানুষ ছিল না। ফাঁকা নভোযানে কয়েকটি ডামি পুতুল পাঠিয়ে দেখা হয়েছে সবকিছু ঠিকভাবে সম্পন্ন হয় কি না। দ্বিতীয় মিশনে চাঁদের কক্ষপথে ঘুরে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবেন নভোচারীরা।
৬ / ৬
নভোচারীরা চাঁদে যাওয়ার সময় তাঁদের উৎসাহ দিতে আমরা থাকব এখানে। ওরিয়ন যখন মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হবে, তখন শক্তিশালী এসএলএস রকেট নভোযানটিকে ঘণ্টায় প্রায় ২৫ হাজার মাইল বেগে ছুটতে সাহায্য করবে। তখন একটা বিমানের চেয়েও ৫০ গুণ বেশি গতিতে ছুটবে রকেটটি।

রূপান্তর: কাজী আকাশ, অলংকরণ: শেন টলেন্টিনো

আরও পড়ুন